1. admin@pratidinerbarta.com : admin :

অনলাইনে পাপাচার

  • Update Time : Thursday, September 10, 2020

বর্তমান  যুগ  বিজ্ঞান  ও  প্রযুক্তির  যুগ  এ  যুগে ঘরে বসে ইন্টারনেট  ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কিছু করা যায়।  এসব  ব্যবহার  করে অনেকে  যেমন  উপকৃত  হয়,  তেমনি  অনেকে নীতি- নৈতিকতা বিসর্জন দেয়। বর্তমানে  ইন্টারনেটর  সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইড হচ্ছে ফেইসবুক।  সবার  সঙ্গে সহজে যোগাযোগের মাধ্যম এটি।  ফেইসবুককে  দাঈ  ইল্লাল্লাহর  ভূমিকা  পালন করে।  আবার  অনেকে  ফেইক  আইডি খুলে অশ্লীল ছবি আপলোড, নোংরা ভাষায় স্ট্যাটাস, ভুয়া সংবাদ প্রচার  এবং  অশালীন  মন্তব্য  করে  অন্যকে  বিব্রত করে।  শান্তির   ধর্ম  ইসলাম  এটা  সমর্থন  করে  না। প্রকাশ্য  ও অপ্রকাশ্য সব ধরনের অশ্লীলতা ইসলামে হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘প্রকাশ্য হোক কিংবা গোপনে হক, তোমরা অশ্লীল  কাজের  ধারেকাছেও যাবে না।‘ (সূরা আন’আম : ১৫১)।‘ আর  জেনে  বা  না  জেনে অন্যকে   দোষারোপ ,  অন্যের  নিন্দা   ও  অপপ্রচার চালানো  ফেইসবুকে  অতি   প্রচলিত  একটি  বিষয়। কিন্ত   ইসলাম   ধর্মে   পরনিন্দা   বা   কুৎসা  রটানো হারাম।   এটা   এত  ঘৃণিত  কাজ যে, এটাকে  পবিত্র কোরআনে   মৃত   ভাইয়ের   গোশত  খাওয়ার   সঙ্গে তুলনা   করা   হয়েছে।’ (সূরা   আল  হুজরাত : ১২)।
তাছাড়া  এটা কোনো মোমিনের চরিত্র হতে পারে না। মোমিনের চরিত্র কেমন হবে  এ ব্যাপারে রাসুল (সা.) বলেন, ‘ বর্তমানে   নিরাপত্তার।  জন্য।  অনেক  স্থানে সিসি  টিভি  বা  গোপন  ক্যামেরা  ব্যবহার  করা হয়। কিন্তু   অনেকে   আবার  এই  প্রযুক্তির   অপব্যবহার করে।  মেয়েদের।  বাথরুমে,   ট্রায়াল।  রুমে  গোপন ক্যামেরা  বসায়  এবং  ইউটিউবে  এসব  দৃশ্য  ছেড়ে দেয়,  যা  পরে  আক্রান্ত  মেয়ের  আত্মহত্যার  কারণ হয়ে   দাঁড়ায়।   যারা   এমন  ঘৃণিত  অপকর্মে   লিপ্ত, তাদের উচিত  আল্লাহকে  ভয় ক রা এবং এমন দৃশ্য ধারণ করা থেকে বিরত থাকা। আল্লাহ বলেন, ‘ আর তোমরা প্রকাশ্য এবং গোপন পাপ বর্জন কর; নিশ্চয় যারা পাপ অর্জন  করে অচিরেই তাদেরকে  তারা  যা অর্জন  করে  তার   প্রতিফলন   দেওয়া  হবে। ’ (সূরা আল আন’আম : ১২০)
বিজ্ঞানের  কল্যাণে  দুনিয়া এখন হাতের মুঠোয়। সব কাজই  অতি  সহজ। বর্তমান যুগে কেউ ইচ্ছা করলে ইন্টারনেটের  মাধ্যমে কোরআন-হাদিসের আলোচনা দেখতে   ও  শুনতে   পারবে।  তেমনি   ইচ্ছা   করলে অশ্লীল   মুভি  বা  দৃশ্য  অবলোকন  করতে   পারবে। তাদের   কর্মকাণ্ড   দুনিয়ার  কেউ  না দেখলেও তারা আল্লাহ   তায়ালার  দষ্টি   এড়াতে  পারবে   না।  যারা হৃদয়ে  আল্লাহর  ভয়  (তাকওয়া)  লালন  করে এবং পরকালের  চিন্তা  করে,  তারা  এমন   অশ্লীল   কাজ করতে   পারে  না।  সর্বদা  এমন  ঘৃণিত  কাজ থেকে বিরত থাকে। এ  বিষয়ে  সতর্ক  করে  আল্লাহ বলেন, ‘ হে ইমানদাররা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। আর প্রত্যেকের   উচিত  চিন্তা   করে  দেখা   আগামীকাল আল্লাহর    কাছে   সে   কি   পেশ     করতে   যাচ্ছে। আল্লাহকে  ভয়  কর। আর  তোমরা যা কর নিশ্চয়ই আল্লাহ সে  সম্পর্কে  সবিশেষ অবহিত। ’ (সূরা আল হাশর : ১৮)।
‘ আর যারা অন্তরে আল্লাহর ভয় বা তাকওয়া লালন করে, তারাই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদাসম্পন্ন। ’ (সূরা আল হুজরাত : ১৩)।
সুতরাং   আমাদের উচিত  আল্লাহকে ভয় করা এবং এমন ঘৃণিত অপকর্ম থেকে বিরত থাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Customized BY NewsTheme